Kolkata Rainbow Pride Walk 2016 pictures

Finally, the wait is over… we have pictures to boast.

Keep scrolling!

Want more? Click Here!

…and a bonus video!

…and one more 😀

…yet another <3

The above pictures and video are the works of the following photographers: Niladri R. Chatterjee, Nilanjan Majumder, Kausik Gupta, Aditya Bandhyapadhya, Dipankar Chanda, Reekdeb Mal; they reserve the rights of their work and these may not be reproduced or republished without their permission. 

Kolkata Rainbow Pride 2016 on the press

fb_img_1481719295758Kolkata Rainbow Pride Walk 2016 took place on 11th December 2016 Sunday, lots of people turned up to make it a grand success, colours, cheers, slogans, performances, clicks-upon-clicks, costumes made it a carnival, probably the best this city sees annually, albeit with an important underlying spirit of liberation and hope.

Below are the links to its coverage on the media:

Apart from the above web links, KRPW 2016 was also covered in print media by newspapers such as Times of India, Ei Samay etc.

Also, you can hear Sandip Roy, the renowned author and journalist to describe the rally on KALW, the public radio station based in San Francisco, California:

This page will be occasionally updated as new links are published.

Kolkata Rainbow Pride Walk, 2016


Kolkata Rainbow Pride Walk 2016 is over.

This post is archived.

Kolkata Rainbow Pride Walk 2016 is upon us, the weather is beautiful and y’all want to know the details, so here they go…

  • When is it? – 11th December 2016. Sunday it is.
  • Where is it? – From Esplanade, Metro Y Channel (Near K. C. Das confectioners) to Park Circus Maidan, via Lenin Sarani, Mullick Bazar
  • When does it begin? – From 2 pm, be on time okay? 🙂
  • When does it end? – Some say 6 pm, some say, Pride never ends. 😉
  • Map please – Here you go: https://goo.gl/P57a0a

Everybody’s welcome in this celebration of inclusion and equality. If you have trouble moving around, do reach us via facebook or twitter. See you there. 🙂

Common Literature :

Version: English

Theme: Law and Human Rights

It has been two years since the Supreme Court of India granted Indian citizens the right to self determination of gender – the right that every person should be able to decide their own gender identity irrespective of their bodies or genitalia. The judgment included a broad range of gender non-conforming people under the ‘transgender’ label, and stated that transgender and hijra individuals would have the right to education, livelihood and health like any other Indian citizen (NALSA verdict, 2014). Still, transgender people continue to face various forms of discrimination.

In November 2016, Tara, a 28-year-old NGO worker, was found outside a police station in Chennai with severe burns on her body, and died soon after. Tara was thirunangai, the Tamil word for trans women or male-to-female transgender persons. Tara’s friends allege that the police had been harassing Tara. They had accused her of soliciting for sex work, confiscated her mobile phone, assaulted her and brought her in for questioning. Subsequently, she was found with burn injuries. More than a month later, there is still no answer to how she found petrol to immolate herself (as claimed by the police).

However, this atrocity is by no means an exception. In educational spaces, hospitals, workplaces, residential units, transgender people continue to face discrimination, physical and sexual harassment, sometimes violence leading to death. What has the State’s response been to such gross violations of human rights?

The Central Government of India has drafted a Transgender Persons’ (Protection of Rights) Bill, 2016, which has not incorporated any of the feedback from the community and is in complete violation of the Supreme Court verdict. The Bill recommends the institution of boards comprising psychiatrists and governmental representatives who will determine whether a person can be granted a transgender certificate. This contradicts the right to gender self-determination, as promised by the Supreme Court. Moreover, the Bill does not talk of any reservation for transgender people in education and jobs, or spell out what constitutes discrimination and violence against transgender people. It does not specify punitive consequences or mention the modes of welfare the State is obliged to deliver to transgender people. Meanwhile, Section 377 of the Indian Penal Code, which criminalizes all forms of sexual activity except peno-vaginal penetration, is still widely used to persecute a broad range of gender or sexually non-conforming persons, including lesbian, gay, bisexual, transgender, kothi and hijra people, among others.

In December 2013, the Supreme Court overturned a previous verdict that had removed same-sex activity from the purview of Section 377, and recriminalised all forms of sex other than peno-vaginal penetration. Since then, a spate of incidents of blackmail, extortion, sexual and physical assault against queer and transgender people have been reported. Here it is important to note that India’s rape laws have been amended to include any form of non-consensual sexual activity (in other words, any consensual sexual act is not rape). So, how does consensual sex other than peno-vaginal penetration continue to be criminalised under Section 377? Aren’t our rape laws and Section 377 incompatible? Although the curative petition against Section 377 has been admitted by the Supreme Court, there has been no further development.

The central government has been openly homophobic and transphobic in its attitude towards India’s millions of queer and transgender people. When will our rights become human rights?

However, our struggle as queer people is not a standalone one. We are also implicated in, and in solidarity with, many other struggles and movements. Our queer struggle for justice rests on a vision of an anti-caste, queer feminist, non-ableist, secular world, a world without military occupation, without the suppression of dissent. So as we walk for our rights today, we are also speaking with the many other marginalised people’s struggles and protest movements in India that share our dream.

Our Demands:
–          Withdraw the transphobic Transgender Persons’ (Protection of Rights) Bill, 2016 and introduce a new bill taking community needs into account. Honour the NALSA verdict.
–          Read down Section 377 of the Indian Penal Code to exclude consensual same-sex  activity from its purview.
–          Institute a thorough judicial enquiry into Tara’s murder.


Version: Bengali

বিষয়: আইন এবং মানবাধিকার
২০১৪ সালে ভারতের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয় একটি রায় ঘোষণা করেন যা দেশের সমস্ত নাগরিকদেরকে লিঙ্গ পরিচয় স্বনির্ধারণের অধিকার প্রদান করে – অর্থাৎ যে কোনো মানুষ তাঁর সমাজ-প্রদত্ত লিঙ্গ পরিচয় বা যৌনাঙ্গ নির্বিশেষে তাঁর নিজস্ব মনন অনুযায়ী তাঁর লিঙ্গ পরিচয় বেছে নেওয়ার অধিকার রাখেন | রায়টি ঘোষণা করে যে অন্য সমস্ত নাগরিকদের মতই রূপান্তরকামী, হিজড়ে ও অন্যান্য প্রান্তিক লিঙ্গের মানুষদেরও শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জীবিকা নির্বাহের অধিকার রয়েছে (নালসা রায়, ২০১৪) | তথাপি, আজও রূপান্তরকামী ও প্রান্তিক লিঙ্গ পরিচয়ের মানুষেরা নানা রকমের বৈষম্যের সম্মুখীন হয়ে চলেছেন |
এই বছরের নভেম্বর মাসে তারা নামক একজন বেসরকারী সংগঠনের কর্মীকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় চেন্নাইয়ের একটি পুলিশ থানার বাইরে পাওয়া যায়, এবং শীঘ্রই তিনি মারা যান |  তারা তিরুনাঙ্গাই ছিলেন, তামিল ভাষায় রূপান্তরকামী মহিলা বা পুরুষ-থেকে-নারী রূপান্তরকামী মানুষ | তারার বন্ধুরা দাবি করেন যে পুলিশ তারাকে মৃত্যুর  পূর্বে হেনস্থা করেছিল, তাঁর মোবাইল ফোন ও গাড়ির চাবি কেড়ে নিয়েছিল, এবং তাঁর ওপর যৌনকর্ম করার আরোপ লাগিয়ে তাঁকে হেফাজতে রেখে শারীরিক নির্যাতন করেছিল | পুলিশের দাবি যে তারা আত্মহত্যা করেছিলেন, কিন্তু  তাঁর মৃত্যুর পর এক মাসের অধিক পেরিয়ে যাওয়া সত্বেও পুলিশের কাছে উত্তর মেলেনি যে গায়ে আগুন দেওয়ার জন্য তারা পেট্রল কোথা থেকে পেয়েছিল |
এই নৃশংস নির্যাতনের ঘটনাটি কিন্তু ব্যাতিক্রম নয় | শিক্ষাক্ষেত্রে, হাসপাতালে, কর্মক্ষেত্রে, বাড়ি ভাড়া নিতে গিয়ে – নানা জায়গায় রূপান্তরকামী ও প্রান্তিক লিঙ্গ পরিচয়ের মানুষেদেরকে বিভিন্ন ধরনের বৈষম্যের সাথে যুঝতে হয়, শারীরিক ও যৌন হেনস্থা থেকে হিংসাত্মক মৃত্যু পর্যন্ত | প্রতিনিয়ত এইরূপ মানবাধিকার লঙ্ঘন রোধ করতে আমাদের সরকার কি সত্যিই কোনো উপযুক্ত ধাপ নিয়েছে?
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার ‘ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস (প্রটেকশন অফ রাইটস) বিল’ অর্থাৎ ‘রূপান্তরকামী ব্যাক্তিদের (অধিকার সংরক্ষণ) বিধেয়ক, ২০১৬’ নামক একটি বিল বা খসড়া আইন সংসদে পেশ করেছে, যেটি রূপান্তরকামী গোষ্ঠীদের দেওয়া কোনো পরামর্শ গ্রাহ্য করেনি এবং সুপ্রিম কোর্টের উপরোক্ত নালসা রায়টিকে গুরুতর ভাবে লঙ্ঘন করেছে | এই বিল অনুযায়ী প্রতিটি জেলায় একটি করে কমিটি গঠন করা হবে যার মধ্যে কিছু মনোবিদ ও সরকারী প্রতিনিধি নিযুক্ত থাকবেন যাঁরা নাকি ঠিক করে দেবেন যে কোনো ব্যাক্তি ‘রূপান্তরকামী’ হওয়ার শংসাপত্র পাবে কি না | এই প্রস্তাবিত বিধি সুপ্রিম কোর্ট দ্বারা প্রদত্ত লিঙ্গ স্বনির্ধারণের অধিকারকে সম্পূর্ণ ভাবে লঙ্ঘন করে | উপরন্তু, বিলটি রূপান্তরকামী ও প্রান্তিক লিঙ্গের মানুষদের জন্যে শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে কোনো রকমের সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখেনি, বৈষম্য বা হিংসা রোধ করতে কোনো দৃঢ় পদক্ষেপ নেয় নি,এবং এই জনগোষ্ঠীদের কল্যানের জন্যে কোনো নির্দিষ্ট সরকারী উদ্যোগ ঘোষণা করেনি | অন্য দিকে, ভারতীয় দন্ড বিধির ৩৭৭ ধারা, যা লিঙ্গ-যোনী সম্ভোগ ব্যতীত সমস্ত ধরনের যৌনক্রিয়া কে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করে, এখনও সমকামী, উভকামী, রূপান্তরকামী, কোতি ও হিজড়ে মানুষদের ওপর নির্যাতনের হাতিয়ার হিসেবে বহাল রয়েছে |
যদিও ২০০৯ সালে দিল্লির উচ্চ ন্যায়ালয় ৩৭৭ ধারার আওতা সীমিত করে সমলিঙ্গের মধ্যে যৌনক্রিয়াকে আইনি বৈধতা দেয়, ২০১৩ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ৩৭৭ ধারাকে আবার সম্পূর্ণ রূপে ফেরত আনে | এই রায়ের পর প্রান্তিক লিঙ্গ ও যৌনতার মানুষদের হুমকি দেওয়া, হেনস্থা করা বা শারীরিক ও যৌন নির্যাতন করার ঘটনা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে | এই ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য যে ভারতের ধর্ষণ সংক্রান্ত আইনগুলিকে কিন্তু সম্প্রতি পরিবর্তিত করা হয়েছে যাতে যে কোনো ধরনের সম্মতিবিহীন যৌনক্রিয়া কে ধর্ষণের আওতায় ধরা যেতে পারে,যার অর্থ দাঁড়ায় যে সম্মতি সহ যে কোনো ধরনের যৌনসম্ভোগ কিন্তু ধর্ষণ বা যৌন অপরাধ নয় | তাহলে কেন লিঙ্গ-যোনী সম্ভোগ ব্যতীত অন্যান্য যৌনক্রিয়া সম্মতিসূচক হলেও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিচার্য হবে? আমাদের ধর্ষণের আইন এবং ৩৭৭ ধারার মধ্যে কি একটি বিরোধ উপস্থিত হচ্ছে না? সম্প্রতি ৩৭৭ ধারার বিরুদ্ধে একটি প্রতিকারমূলক পিটিশন সুপ্রিম কোর্টে গৃহীত হয়েছে ঠিকই, কিন্তু তারপর বিষয়টির আর কোনো অগ্রগতি হয়নি |
অতয়েব দেখা যাচ্ছে যে কেন্দ্রীয় সরকার ভারতের অসংখ্য সমকামী-উভকামী-রূপান্তরকামী মানুষদের শুধু অবহেলা করেনি, খোলাখুলি ভাবে সমকামভীতি ও রূপান্তরকামভীতি প্রদর্শন করেছে | আমাদের অধিকার কবে মানুষের অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি পাবে?
প্রান্তিক লিঙ্গ ও যৌনতার মানুষ হিসেবে আমাদের এই লড়াই কিন্তু শুধুমাত্র লিঙ্গ বা যৌন স্বাধীনতার স্বার্থে নয় – আমাদের প্রতিস্পর্ধার সাথে সংযুক্ত রয়েছে আরও বিভিন্ন ধরনের আন্দোলন, যথা শ্রেণীবিভাজন ও বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই, নারী আন্দোলন ও প্রতিবন্ধকতাযুক্ত মানুষদের লড়াই, সাম্প্রদায়িকতা এবং সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই | আমরা স্বপ্ন দেখি বর্ণ-শ্রেণী বিহীন এক দুনিয়ার,অর্থনৈতিক শোষণ ও সামরিক আগ্রাসন বিহীন এক দুনিয়ার, এমন এক দুনিয়ার যেখানে স্বাধীন চিন্তা দমন করা হয় না | তাই, আজ যখন আমরা রাস্তায় নেমেছি, আমরা সকল প্রান্তিক এবং অবদমিত মানুষদের লড়াইয়ের সাথে আমাদের সংহতি জানাই যারা আমাদেরই মতন সাম্য ও ন্যায়ের স্বপ্ন দেখে |
আমাদের দাবি:
–       লিঙ্গ স্বনির্ধারনের পরিপন্থী ‘ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস (প্রটেকশন অফ রাইটস) বিল’ প্রত্যাহার করে এমন একটি আইন আনা হোক যেটি রূপান্তরকামী ও প্রান্তিক লিঙ্গের গোষ্ঠীদের প্রয়োজন বুঝে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেবে; নালসা রায়কে মান্যতা দিতে হবে |
–       ভারতীয় দন্ডবিধির ৩৭৭ ধারার আওতা থেকে সমলিঙ্গের মধ্যে সম্মতিসূচক যৌনক্রিয়া কে বাদ দিতে হবে |
–       তারার হত্যা নিয়ে যথাযথভাবে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করতে হবে |


Version: Hindi

विषय: कानून और मानव अधिकार

२०१४ में सरवोच्च न्यायलय ने नालसा निर्णय में भारत के सभी नागरिकों को अपना लिंग परिचय खुद चुनने का हक़ दिया। यानि की, सामाजिक लिंग परिचय या यौन अंगों से परे हर इंसान को अपना लिंग परिचय खुद चुनने का हक़ होगा। साथ ही ये कहा गया कि तृतीय लिंग के व्यक्तियों को किसी भी अन्य नागरिक की तरह शिक्षा, रोज़गार, और स्वास्थ्य का हक़ मिलेगा। इस निर्णय में कई प्रकार के प्रान्तिक लिंग परिचय के इंसानों को “ट्रांसजेंडर” के अन्तर्गत शामिल किया गया।  ये भी कहा गया कि ट्रांसजेंडर और हिजड़ा सम्प्रदाय के लोगों को किसी भी अन्य नागरिक की तरह शिक्षा, रोज़गार, और स्वास्थ्य का हक़ मिलेगा।  मगर, आज इस निर्णय के दो साल बाद भी किन्नरों और तृतीय किंग के अन्य लोगों को कई प्रकार के भेदभाव का सामना करना पड़ रहा है।
नवम्बर २०१६ में तारा नाम के एक तिरुनानगई (ट्रान्स या रूपांतरकामी महिला) को  चेन्नई के एक थाने के बाहर बुरी तरह से जल हुआ पाया गया।  तारा, जो की एक एन जी ओ में भी काम करती थी, के जानने वालों का कहना है के पुलिस उसे कई तरह से परेशान कर रही थी।  उन्होंने उसका मोबाईल फ़ोन और स्कूटर की चाबियाँ छीन लीं थीं और उस पर वेश्यावृत्ति का भी आरोप लगाया था। उसे मारा पीटा गया और पूछताछ के लिए थाने लाया गया।  बाद में उसे जली हुई अवस्था में पाया गया मगर एक महीना गुज़र जाने के बाद भी पता नहीं चल सका के अगर उसने (पुलिस के कहने के अनुसार) ख़ुदकुशी की तो उसे पेट्रोल कहाँ से मिला।
मगर,सच कहें तो ये भयंकर अत्याचार नया नही है। स्कूल/कॉलेज,  अस्पताल, कामकाज, घर, हर जगह तृतीय लिंग के लोगों पर भेदभाव और शारीरिक व यौन अत्याचार होते हैं, अक्सर उनकी मौत हो जाती है। मगर मानवाधिकारों के इस घोर उल्लंघन में सरकार की क्या प्रतिक्रिया है ?
केंद्र सरकार ने एक ट्रांसजेंडर व्यक्तियों ‘(अधिकार संरक्षण) विधेयक का मसौदा तैयार किया है। मगर इसमें समुदाय से लिए गए किसी सुझाव को शामिल नहीं किया गया। ये सरवोच्च न्यायलय के निर्णय का उल्लंघन करता है। न्यायलय ने स्पष्ट रूप से कहा था के व्यक्ति अपना लिंग परिचय खुद निर्धारित करेगा मगर इस विधेयक में बोर्ड्स की बात की गयी है जिसमे मनोचिकित्सक और सरकारी प्रतिनिधि होंगे जो ये निर्धारण करेंगे की ट्रांसजेंडर का सर्टिफिकेट मिलेगा या नहीं।  इसके अलावा, न्यायलय ने शिक्षा और रोज़गार के अधिकार की बात की थी मगर इस विधेयक में शिक्षा या काम में आरक्षण का कोई उल्लेख नहीं है। विधेयक स्पष्ट नहीं करता के ट्रांसजेंडर के विरुद्ध भेदभाव या हिंसा में क्या क्या निहित है और इस तरह के व्यवहार का दंड क्या होना चाहिए।  न ही इसमें सरकार  द्धारा दिए जाने वाले किसी सुविधा का उल्लेख है।
दूसरी तरफ, भारतीय दंड विधि धारा ३७७ का इस्तेमाल तृतीय लिंग और अन्य प्रान्तिक लिंग और यौन परिचय के लोगों – जैसे लेस्बियन, गे, बाइसेक्सयुअल, ट्रांसजेंडर, कोती, हिजड़ा, वगेरह -लोगों पर कई प्रकार के अत्याचार करने के लिए हो रहा है।  २०१३ के न्यायलय के निर्णय से जहाँ बालिग लोगों के बीच सहमति से हुआ कई प्रकार का यौन व्यवहार फिर से दंडनीय कर दिया गया, वहीँ से शुरू हुआ एक नया सिलसिला – ब्लैकमेल, जबरन वसूली, यौन और शारीरिक अत्याचार – क्वियर और ट्रान्स लोगों पर अत्याचार का। हाल में हुए संशोधन से बलात्कार सम्बंधित कानून मे हर किस्म के यौन उत्पीडन (बिना सहमति के)  को दंडनीय बनाया गया है।  यानि, इसके अन्तर्गत, सम्मति से हुआ किसी ही प्रकार का यौन सम्बन्ध बलात्कार नहीं है। फिर कैसे सहमति से हुए, बालिग लोगों के किसी भी प्रकार के यौन सम्बन्ध को ३७७ द्वारा दंडनीय  किया जा सकता है? क्या इस से बलात्कार सम्बन्धित कानून और ३७७ में विरोध नही होता ? ३७७ के विरुद्ध उपचारात्मक याचिका (कियूरेटिव पेटिशन) को न्यायलय ने सुनवाई के लिए दाखिल तो किया है मगर बात उस से आगे नहीं बढ़ी है।

केंद्र सरकार भारत के लाखों क्वियर और ट्रान्स नागरिकों के प्रति अपनी घृणा और भेदभाव का रवैया दिखती रही है। हमारे अधिकार कब इनकी नज़रों में मानव अधिकारों में शामिल होंगे ?
फिर भी, क्वियर नागरिकों के नाते हमारी लड़ाई अकेली लड़ाई नहीं है।  कई लड़ाइयों से, आंदोलनों से हमारा सरोकार है, दोस्ताना है। हमारी कवीर आंदोलन में, समानता और न्याय का आधार है एक जातिहीन, क्वियर नारीवादी, धर्म निरपेक्ष समाज जहाँ अपंगता के कारण कोई भेदभाव न हो।  यही वजह है के अपने अधिकारों की बात करते हुए आज हम उन सब प्रान्तिक और विरोधी आंदोलनों की भी बात कर रहे हैं जिनका सपना है एक आदर्शलोक — एक ऐसा समाज जहाँ जाती, संप्रदाय, लैंगिकता, लिंग परिचय, विकलांगता, के आधार पर भेदभाव न हो।  जहाँ सैन्य कब्ज़ा न हो, और असंतोष और मतभेद का दमन न हो।  जहाँ कानून हर नागरिक के मानवाधिकारों की रक्षा करेगा, उनके उल्लंघन का जरिया नहीं बनेगा।
हमारी मांगें :
·         इस ट्रान्स विरोधी ट्रांसजेंडर व्यक्तियों ‘(अधिकार संरक्षण) विधेयक, २०१६ को वापस लिया जाये और एक ऐसा विधेयक तैयार किया जाये जिसमे नालसा निर्णय से विरोध न हो और जो संप्रदाय की ज़रूरतों के अनुसार बना हो।
·         भारतीय दंड विधि की धारा ३७७ को संगशोधित किया जाये।
·         तारा की हत्या की न्यायिक जांच की जाये।