Kolkata Pride Feedback Meeting

We were proud to learn that this year we’ve had the largest ever Pride at KRPW 2017! We also had the highest number of volunteers at this year’s Pride. 

The Kolkata Rainbow Pride Walk is a community event. As such, it is always our constant endeavour to make this event better and more inclusive as we continue and learn from our trials and errors. To make this process effective we seek feedback from the community at large.

👉🏼 You are invited to the Kolkata Pride Feedback Meeting on 13th of January 2018, Saturday, 5 PM at Nandan grounds.

Everyone’s active participation and opinions/feedback regarding this year’s Pride event and what can be done to improve it further is important and sought for. 

We value each and every feedback, those who cannot attend the meeting can email their’s at mail.krpf@gmail.com or contact@kolkatapride.org

Wish you all a Happy New Year!

Thank you.


এই বছরের কলকাতা রেইনবো প্রাইড ওয়াক ২০১৭ সব থেকে বড় ছিল, এই জেনে আমরা গর্বিত। এই বছরের কোলকাতা রেইনবো প্রাইড ওয়াকে অন্যান্য বছরের তুলনায় সবথেকে বেশী সংখ্যক ভলান্টিয়াররা অংশ নিয়েছিলেন!

কোলকাতা রেনবো প্রাইড ওয়াক প্রতি বছর হয় এই কমিউনিটির উদ্যোগে। আমাদের সকলের প্রতিবার উদ্দেশ্য থাকে যে কিভাবে এই ইভেন্টকে আরও ভালো, আরও ইনক্লুসিভ করে তোলা যায়, কিভাবে নিজেদের ভুল-ভ্রান্তি থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা আরও উন্নত করতে পারি আমাদের কমিউনিটির সবথেকে বড় ইভেন্ট কে। এবং তার জন্য কমিউনিটির থেকে ফীডব্যাক খুবই প্রয়োজন।

👉🏼 সেকারনে আগামী ১৩ই জানুয়ারী, শনিবার, বিকেল ৫ টায় নন্দনে কলকাতা প্রাইড ফীডব্যাক মিটিং ডাকা হচ্ছে। 

প্রত্যেকের উপস্থিতি কাম্য, এই বছরের প্রাইড সম্বন্ধীয় ফীডব্যাক এবং কি করলে প্রাইডকে আরও ভালো এবং ইনক্লুসিভ করে তোলা যায় সে বিষয়ে তাঁদের মতামত/ফীডব্যাক খুবই গুরুত্বপূর্ন এবং কাম্য। যারা এসে উঠতে পারবেন না, তাঁরা তাঁদের মতামত mail.krpf@gmail.com এবং/অথবা contact@kolkatapride.org এ মেইল করে জানাতে পারেন।

প্রত্যেককে জানাই শুভ নববর্ষ!



🌐 Link to Facebook event: https://www.facebook.com/events/1923102364616818/


Update: The meeting has successfully concluded! MOM of the meeting can be found here (PDF).

Pre-Pride Workshop cum Volunteers’ Meetup 2017

Like every year, KRPF introduces Pre-Pride posters and accessories making Workshop 2017!

Bring your creative spirit and passion on 3rd December to New Light Gallery (map link: https://goo.gl/4VvDgU) and let them blossom before the posters, stickers, ribbons or what have you!

Date, time and venue: 3rd December  1:30 PM to 8 PM New Light Gallery, 361 Jodhpur Park, Kolkata 700068

See you all there.

And yes! Our VOLUNTEERS’ MEETUP for the forthcoming Kolkata Rainbow Pride Walk 2017 will be held here from 4 PM onwards.
For registering your name, please fill up this form: https://goo.gl/forms/oB4utb4VqjLbReWw1

Entry is open to all.



Update: The workshop and the volunteers’ meetup have successfully concluded! We’re happy with the enthusiasm and support people have shown, for example, we’ve had the highest ever number of entries for volunteers this year! Here are a bunch of pictures from the event… 


See you all at Pride!

The Minutes of the 2nd Planning Meeting for Kolkata Rainbow Pride Walk, 2017

Dear all,

We’re pleased to share the MOM of the 2nd and final Pre-Pride Planning Meeting for Kolkata Rainbow Pride Walk 2017 which took place on 5th November 2017 Sunday 5: 30 PM at Nandan. We thank those who participated in the meeting, we missed those who could not but of course we hope to see you ALL at the Pride! <3 🌈

👉 Below we’ve published the text versions of the MOM, in both English and Bangla for your convenience. The PDF versions of the same are linked below. Please give us your thoughts and opinions in the comment section.

Chairperson for the meeting: Sandeepta Das
The following discussions took place at the meeting after everyone was given a recap of the 1st planning meeting:

1. Regarding ‘theme’ of KRPW 2017, there were two suggestions:
a. To include a statement of protest against the persecution of Trans identified people who ‘beg’ at the traffic junctions/crossroads of this city, by the state and
the police (which got reported in a leading Bengali newspaper, Anandabazaar
b. To include the positive vibes and hope received in the fight against IPC Act Section 377 after the landmark judgement passed by our honourable Supreme Court regarding recognition of Rights to Privacy as a fundamental right.

● As discussed in the previous Planning Meeting, the two additional themes are:
c. Upcoming Transgender Bill which will make the NALSA verdict obsolete.
d. India’s stand against the death penalty at UNHRC.

2. It was suggested that the common literature for KRPW 2017 be:
a. Easy to read
b. Shorter in content
c. Written in a bullet point format
d. Pictorial if possible

3. Regarding sloganeering at KRPW 2017, it was suggested that groups be formed of people who shout slogans more actively during the Pride Walk and these groups be placed strategically throughout the length of the crowd so that the slogans are
distributed evenly and avoid ‘silent’ gaps in the crowd.

4. It was suggested that we voice record the Common literature content in Bengali, Hindi and English and carry it in a pen drive and broadcast it from the speakers on the float.

5. Santanu Giri, who had volunteered to arrange for the Police permission regarding the date and route of KRPW 2017, has provided us with an update that:
a. The date of KRPW 2017 has been finalized on 10th of
b. The route has been finalized: Deshapriya Park to Park Circus Maidan via Ballygunje Phanri
c. The gathering time at the starting point, Deshapriya Park, for KRPW 2017 has been scheduled at 2:00PM

6. Pawan Dhall has volunteered:
a. To work on the English version of the common literature. Others are most welcome to volunteer to work with him or to take up the responsibility of translating the English version into Bengali and Hindi.
b. To speak with Shampa Sengupta to understand the arrangements necessary from our side to make KRPW 2017 more inclusive towards People living with disabilities

7. Souvik Som has volunteered to speak to CWF to make arrangements for including people with disabilities in KRPW 2017

8. Volunteers Meeting for KRPW 2017 have been scheduled on Sunday 19th November 2017. Time and venue will be disclosed soon. A Google form for the same will be available for applicants and an open call for volunteers will be announced on social
media soon.

9. Pre-Pride Poster and accessory making workshop has been scheduled on Sunday 3rd December, 2017, from 1:30 PM to 8:00 PM. Venue to be disclosed soon.



সভার সভাপতিত্বে: সন্দীপ্তা দাস
প্রথম পরিকল্পনা সভার একটি সংক্ষিপ্তবৃত্তি সকলকে দেওয়ার পর নিম্নলিখিত আলোচনা গুলি সভায় ঘটে:

1. KRPW ২০১৭ এর ‘থিম’ সংক্রান্ত, দুই প্রস্তাবনা:
a. রূপান্তরকামী মানুষেরা যাঁরা ট্রাফিক সংযোগস্থলে বা রাস্তার সংযোগস্থলে ‘ছল্লা’ (আশীর্বাদের বিনিময়ে টাকা চাওয়া) করেন তাদের প্রতি পুলিশ ও রাজ্যের তরফ থেকে নীপিড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদজনক একটি বিবৃতি অন্তর্ভুক্ত করা হোক (যা একটি জনপ্রিয় বাংলা খবরকাগজ আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।)
b. ইতিবাচক ও আশাবাদী বাতাবরন যা আমরা আইপিসি এক্ট ৩৭৭এর বিরুদ্ধে লড়াইএ পেয়েছি যখন মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট তাঁর ল্যান্ডমার্ক রায় দেন যেখানে গোপনীয়তার অধিকার বা ‘Right to Privacy’ কে এক মৌলিক অধিকার হিসেবে গণ্য করা হয়।

● পূর্ববর্তী পরিকল্পনাসভার দুইটি অতিরিক্ত থিম এইখানে যোগ করা হলো:
c. আসন্ন ট্রান্সজেন্ডার বিল যা নালসা রায়কে অচল করে দিতে পারে।
d. সমকামী যুগল-দের মৃত্যুদণ্ড নিয়ে UNHRC-তে ভারতের অবস্থান।

2. সুপারিশ করা হয় যে KRPW 2017 এর জন্য কমোন লিটারেচার যাতে:
a.পড়তে সুবিধে হয়
b. বিষয়বস্তু অপেক্ষাকৃত ছোট
c. বুলেট পয়েন্ট বিন্যাসে লিখিত
d. সম্ভব হলে চিত্র সহ

3. KRPW 2017 এর স্লোগানের ব্যাপারে ধার্য করা হয় যে কিছু দল তৈরী করা হবে যাঁরা আরো সক্রিয় ভাবে স্লোগান দেবেন প্রাইড যাত্রায় এবং এঁদের কৌশলগতভাবে পুরো যাত্রার ব্যাপ্তিতে ছড়িয়ে দিতে হবে যাতে স্লোগানগুলি সমান ভাবে সবার কাছে পৌঁছে যায় এবং কোনো চুপচাপ ‘ফাঁক’ না থেকে যায় যাত্রায়।

4. সুপারিশ করা হয় যে সাধারণ কমোন লিটারেচারটি বাংলা, ইংরেজি ও হিন্দি তে রেকর্ড করে পেনড্রাইভের দ্বারা ফ্লোটে বসানো মাইকগুলোর মাধ্যমে সম্প্রচার করা হোক।

5. শান্তনু গিরি যিনি KRPW ২০১৭র গমনপথ ও সময়ের জন্য পুলিশের অনুমতি নেয়ার দায়িত্ব নিয়েছিলেন, তিনি আমাদের নিম্নলিখিত তথ্য গুলি দিয়েছেন:
a. KRPW ২০১৭র দিন ১০ই ডিসেম্বর ধার্য করা হয়েছে
b. ধার্য গমনপথ: দেশপ্রিয় পার্ক থেকে পার্ক সার্কাস ময়দান, বালিগঞ্জ ফাঁড়ি দিয়ে
c. KRPW ২০১৭র শুরুর স্থান দেশপ্রিয় পার্কে জমায়েতের সময় দুপুর ২টো ধার্য করা হয়েছে

6. পবন ঢাল দায়িত্ব নিয়েছেন:
a. কমোন লিটারেচারের ইংরেজি সংস্করণ তৈরী করার, অন্যরাও এই কাজে যোগ দিতে সুস্বাগত বা এই ইংরেজি সংস্করণকে বাংলা ও হিন্দিতে অনুবাদও করতে পারেন।
b. শম্পা সেনগুপ্তের সাথে কথা বলবেন, যাতে কি কি ব্যবস্থাপনায় আমরা KRPW ২০১৭ তে প্রতিবন্ধী মানুষদের আরো ভালো ভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে পারি, সেই ব্যাপারে অনুধাবন করতে।

7. সৌভিক সোম দায়িত্ব নিয়েছেন সিডব্লিউএফ এর সাথে কথা বলতে, প্রতিবন্ধী মানুষদের KRPW ২০১৭ তে অন্তর্ভুক্তির ব্যাবস্থাপনার ব্যাপারে।

8. KRPW ২০১৭র স্বেচ্ছাকর্মীদের সভা ১৯এ নভেম্বর, ২০১৭ রবিবার দিন ধার্য করা হয়েছে। সময় ও জায়গা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। একটি গুগল ফর্ম প্রকাশ করা হবে আবেদনকারীদের জন্য, এবং স্বেচ্ছাকর্মীদের জন্য একটি আহ্বান বার্তা শীঘ্রই সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রকাশিত হবে।

9. প্রাইড পূর্ববর্তী পোস্টার এবং অন্যান্য অ্যাক্সেসরিজ তৈরির ওয়ার্কশপ রবিবার, ৩রা ডিসেম্বর, ২০১৭ বেলা ১:৩০ থেকে রাত ৮ টা অবধি, জায়গা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।


The Minutes of the 1st Planning Meeting for Kolkata Rainbow Pride Walk, 2017

Dear all,

Greetings! We are happy to share the minutes of the 1st planning meeting for Kolkata Rainbow Pride Walk 2017 which took place on 8th October, 2017. There were many friends present at the meeting and we missed many others. Hoping to see them at the next planning meeting which has been scheduled for 5th November, 2017. Please find below the Bengali and English version of the minutes of the meeting. We look forward to your responses and suggestions. Please try and respond within a week from now.



First Planning Meeting for KRPW 2017
Held on 8th October 2017 @ Nandan
Second Planning Meeting will be held on 5th November 2017

Feedbacks received from Kolkata Rainbow Pride Walk 2016
• Preferably shorter route than the last year keeping in mind senior citizens, differently abled people.
• Some participants can provide vehicles in addition to the vehicle arranged by the organizing team to provide services during emergencies
• Accommodation for participants coming from other parts of West Bengal to stay back safely
• Inclusion of mental health and disability issues in the Pride. Making the Pride Walk comfortable for the participants who are differently abled.
• ‘2-line syndrome’ is a problem. It has been enforced by volunteers in the past pride walks as it’s easier to maintain traffic on the roads and for personal safety of participants as per instruction from police. This practice has come under criticism from participants as ‘restrictive’. We need to figure out a way to solve this crisis keeping both the need of the police and participants in mind.
• It was suggested the volunteers should be changed at regular intervals to avoid burn out cases
• It was suggested that to manage the crowd and as an alternative to maintaining 2 lines while walking, a cord/rope be tied to the leading vehicle and carried by volunteers stretched out the entire length of the crowd on the side which is exposed to the traffic, to create a barricade between the participants and the traffic while not restricting them to follow the ‘walk in 2 lines’ practice.
• Larger and more numbers of posters to be made if possible and made easier for participants to carry.
• Clear slogans to resonate from all parts of the Walk

Important dates decided for the walk
1. 10th December – Sunday – International Human Rights Day
2. 17th December – Sunday – if 10th of December does not work out

Potential routes
1. Triangular Park to Rabindra Sadan – 4 kms
2. Lake to Park Circus Maidan – 5 kms
3. Triangular Park / Golpark to Park Circus – 4 kms
4. Desapriya Park to Park Circus Maidan – 4 kms

• Police permission will be arranged by Santanu Giri

Theme/message we want to voice through this year’s Pride
• Systemic violation of human rights of LGBTQ people in India – will include

1. Upcoming Transgender Bill which will make the NALSA verdict obsolete:

Among all the legal realities around the rights of transgender and other gender variant individuals in post-Independent India, Supreme Court of India’s verdict in National Legal Service Authority Vs. Union of India & Ors. in the year 2014, popularly known as NALSA verdict, in which the Apex Court upheld the Constitutional rights of transgender people living in India is the most important and path-breaking one. In its 113-page verdict, a division bench of the Supreme Court of India, comprised of Justice Sikri and Justice Radhakrishnan, delivered one of the most progressive judgments on individual’s gender identity and on the definition of ‘thirdness’ – a metaphor of otherness.

In NALSA Verdict, the Apex Court not only affirmed the fundamental rights and freedoms of transgender and other gender-variant individuals, but it also upheld individual’s right to decide their self-identified gender identity. In accordance with Yogyakarta’s Principles, adopted by the United Nations in the year 2007, Justice Radhakrishnan bench argued that one’s gender identity or ‘psychological sex’ cannot be determined by few surgical procedures, popularly known as Sex Reassignment Surgery, which few transgender individuals choose to or can afford to undergo. The Apex Court thus termed any insistence of SRS and/or examining one’s genital organ for determining one’s gender identity illegal and immoral.

However, this progressive verdict is now at risk, as the government of India is trying to water down the directives of NALSA Verdict by introducing a bill, which many transgender and other gender & sexuality-rights activists are fighting against. After more than two years of Supreme Court passed NALSA verdict, Ministry of Social Justice and Empowerment (MSJE) of government of India drafted “Transgender Persons (Protection of Rights) Bill, 2016”, which later was introduced in the Lok Sabha, lower house of Indian Parliament. Apart from several controversies, including incorrectly defining transgender individuals, that the bill has landed into, MSJE also introduced the idea of forming district screening committee to determine whether a person is transgender or not. And other than having government official and a psychiatrist, the proposed screening committee will also have a medical doctor, where the transgender individuals would mostly undergo deeply offensive “genitalia check” process in order to be identified as transgender by the screening committee. It goes without saying that this proposed process of setting-up district screening committee is at a stark contrast with the right to self-identified gender identity granted by the Supreme Court in NALSA Verdict. Although the bill had been withdrawn from the Lok Sabha by the Ministry, this year the Parliamentary Standing Committee under MSJE submitted its report, in which the problematic notion of determining transgender person by a thorough medical check-up (“genitalia check”) remains intact. So the chance of MSJE reintroducing the bill, keeping the outrageous clause intact, and passing the same in any of the upcoming sessions of the Indian Parliament is very high.

However, the situation is grimmer than what is being anticipated by many belonging to gender and sexual minority communities. It is a fact that under Articles 141 and 142 of the Constitution of India, NALSA Verdict is binding on all of us, including all the courts across the nation. This is because, in absence of any law – transgender persons law in this case – if judiciary or the Supreme Court of India gives directions, the same will then be deemed to be law until the parliament makes a law. Therefore, NALSA Verdict is available to us till the Indian Parliament makes a law, i.e. successfully passing the outrageous and deeply offensive Transgender Persons (Protection of Rights) Bill, 2016 in both the houses of Indian Parliament. The day Parliament finally makes a law out of NALSA verdict; the verdict will be nullified or obsolete and cannot be invoked to uphold the Constitutional rights of transgender and other gender-variant individuals. So in one word, all the progressive directives in the NALSA Verdict can be completely washed away once the bill, which the government of India is trying pass, is actually passed in the Indian Parliament.

Thus a resistance must be built up against this bill.

2. India’s stand against the death penalty at UNHRC

On September 29 this year, India, along with 12 other countries, voted against a resolution tabled at (now adopted) United Nations Human Rights Council (UNHRC) which had sought to limit the application of the death penalty to the “rarest of the rare” cases and ensure non-discriminatory application of death penalty as well identify the “underlying factors that contribute to the substantial racial and ethnic bias in application of the death penalty.

Over the years, India has generally voted “no” on the moratorium on death penalty resolutions both at the UN General Assembly and at the UN Human Rights Council. This position has not varied much under different administrations. India, on the international stage, is developing a reputation as a wilful obstructer to development of human rights norms rather than as a human rights leader (as behoves the world’s largest democracy). India’s stand is also in a sharp contrast with the decisions of the Supreme Court of India, which has sought to the limit the application of death penalty and to protect the rights of those who have been sentenced to death.

However, the resolution brought this year has significant differences from its previous iterations. This year, for the first time, the resolution talked about the disproportionate sentencing of racial and ethnic minorities, condemned the use of death penalty in blasphemy, apostasy and consensual same-sex relations. India’s vote, however, remained unchanged.

India’s vote on the death penalty showed hostility for the proposition that death penalty should not be imposed for “apostasy, adultery and consensual same sex relations”. Since the Constitutional position is that death penalty can be imposed only “in the rarest of the rare cases”, that rules out any future fanciful possibility of imposing the death penalty for “apostasy, adultery and consensual same-sex relations” in India. Such act would fall foul of the Indian Constitution as it has been interpreted by the Supreme Court.
However, India belongs to a group of 77 nations which have existing laws that criminalize either different identities or the intimate lives of gender and sexual minority communities. Among those 77 such nations, 11 nations penalize the queer lives by death. Apart from that, the fundamentalist religious ruler that seems to terrorize certain parts of Iraq and Syria regularly executes people for being queer. And by voting against the UNHRC resolution, India now made it clear that it supports such heinous crime, in which “Right to Love”, one of the important aspects of “Right to Life”, gets severely violated.

So the government of India must answer that under what circumstances it supports death penalty for consensual same-sex relation? Is it because of the path of religious fundamentalism that the government of India has quietly adopted after 2014 general election? Does the government secretly want to kill all the queer individuals and since our Constitution is not allowing them to do so, it actually supports killing of queer people in other countries and regions. Last year, India has also refused to take a stand in another resolution in the UNHRC which asked the member states to provide legal protection against the violence and discrimination that people receive because of their preferred or perceived sexual orientation and gender identity. First refusing to protect the queer people and now secretly supporting the killing of queer people – all these stands are deeply problematic and flout our Constitutional moralities. And government of India doesn’t seem to care much, which must be resisted.

• Volunteer required for police permission for Triangular Park
• Sandipta wants to do a performance just before the commencement of the Pride Walk, she will be in charge of the execution.

• Pre-Pride workshop date will be announced by KRPF on a later date

We are looking forward to suggestions, comments, reactions to the points mentioned in this MOM, from everyone. Please be vocal.


দ্বিতীয় পরিকল্পনা সভা ৫ই নভেম্বর, ২০১৭-এ হবে

কলকাতা রেনবো প্রাইড ওয়াক ২০১৬ থেকে পাওয়া প্রতিক্রিয়া
 বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী মানুষদের কথা মাথায় রেখে ওয়াকের দৈর্ঘ্য আগের থেকে ছোট করা হলে ভালো হয়,
 সংগঠকদের গাড়ি ছাড়াও অংশগ্রহণকারীরা চাইলে নিজেদের গাড়ি সাহায্যর জন্য দিতে পারেন কোনো সঙ্কটের সময়,
 যারা পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জায়গা ও বাইরে থেকে যোগদান করছেন তাদের নিরাপদ বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হোক,
 মানসিক স্বাস্থ্য ও প্রতিবন্ধী অধিকারকে প্রাইডের অংশ করা হোক, যাতে প্রতিবন্ধী মানুষরাও এই প্রাইডে সাবলীলভাবে অংশগ্রহণে আগ্রহী হন,
 ‘২-লাইন পদ্ধতি’ আমাদের স্বেচ্ছাকর্মীরা প্রাইডগুলিতে ব্যবহার করে এসেছেন যাতে অংশগ্রহণকারীরা নিরাপদে হাঁটতে পারেন, যানজট না হয় এবং পুলিশের নির্দেশ মানা হয়। কিন্তু এই পদ্ধতির সমালোচকেরা এটিকে ‘নিয়ন্ত্রণমূলক’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। আমাদের এই সমস্যার একটি সহায়ক সমাধান খুঁজতে হবে পুলিশ ও অংশগ্রহণকারীদের কথা মাথায় রেখে।
 এটিও সুপারিশ করা হয়েছে যে স্বেচ্ছাকর্মীদের কিছু সময় অন্তর পরিবর্তন করা হোক তাঁদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে,
 সুপারিশ করা হয়েছে যে ভিড়কে সামলাতে ‘২-লাইন পদ্ধতির’ পরিবর্তে একটি দড়ি বা তার-কে সামনের গাড়িতে বেঁধে সেটিকে পুরো ওয়াকের প্রসারণ অবধি যেই দিকে যানবাহন রয়েছে সেই দিকে রাখা হোক একটি ব্যারিকেড হিসেবে যাতে সেটি যানবাহন ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে একটি দূরত্ব বজায় রাখে এবং তাদের ‘২-লাইন পদ্ধতিতে’ হাঁটতে না হয়,
 আরো বেশি সংখ্যক পোস্টার বানানো হোক আর সেগুলি যেন অংশগ্রহণকারীদের বহন করতে সুবিধা হয়। এটিও সুপারিশ করা হয় যে, কেআরপিএফ-এর প্রি-প্রাইড ওয়ার্কশপে তৈরী পোস্টারগুলি যে সকল অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন তাঁদের জন্য মানানসই, তাদেরকেই দেওয়া হোক।
 সহজবোধ্য স্লোগান যেগুলো পুরো প্রাইডে অনুরণিত হতে পারে, সেই রকম স্লোগান বাছা হোক।

গুরুত্বপূর্ণ যেই দিনগুলিতে প্রাইড হতে পারে
১. ১০ই ডিসেম্বর – রবিবার – আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস
২. ১৭ই ডিসেম্বর – রবিবার – যদি ১০ই ডিসেম্বরে সম্ভব না হয়

সম্ভাব্য যাত্রাপথ
১. ট্রায়াঙ্গুলার পার্ক থেকে রবীন্দ্র সদন – ৪ কিমি
২. লেক থেকে পার্ক সার্কাস ময়দান – ৫ কিমি
৩. গোলপার্ক থেকে পার্ক সার্কাস – ৪ কিমি
৪. দেশপ্রিয় পার্ক/ট্রায়াঙ্গুলার পার্ক থেকে পার্ক সার্কাস ময়দান – ৪ কিমি

 পুলিশের অনুমতি নেবেন শান্তনু গিরি

বিষয়/বার্তা যা আমরা এই বছরের প্রাইডে ব্যক্ত করতে চাই

নালসা রায়কে বাতিল করবার জন্য সরকার প্রস্তাবিত ট্রান্সজেন্ডার বিলঃ

স্বাধীন ভারতে রূপান্তরকামী এবং অন্যান্য প্রান্তিক বা বৈকল্পিক লিঙ্গের মানুষজনের আইনী অধিকারের ব্যাপারে ন্যাশনাল লিগাল সার্ভিস অথরিটি এবং ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়ার মধ্যে চলা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া ২০১৪ সালের রায়টিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলা চলে, যেটি NALSA Verdict নামে পরিচিত। এই রায়ের মাধ্যমে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত ভারতে বসবাসকারী ট্রান্সজেন্ডার (রূপান্তরকামী, বৈকল্পিক লিঙ্গ) মানুষজনের সাংবিধানিক অধিকারকে সমর্থন করেছে। সুপ্রিম কোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ ব্যক্তির লিঙ্গপরিচয় এবং তৃতীয় লিঙ্গের তৃতীয়ত্ব বিষয়ে একটি অত্যন্ত প্রগতিশীল রায় দিয়েছিলেন। এই রায়ে সর্বোচ্চ আদালত রূপান্তরকামী এবং অন্যান্য প্রান্তিক লিঙ্গের মানুষজনের মৌলিক অধিকারসমূহকে শুধুমাত্র সুনিশ্চিতই করেনি, তার সাথে প্রত্যেক ব্যক্তির নিজের লিঙ্গপরিচয়ের স্ব-নির্ধারণের অধিকারকেও সমর্থন জানিয়েছেন। ২০০৭ সালে ইউনাইটেড নেশনসের (রাষ্ট্রসংঘ) দ্বারা গৃহীত Yogyakarta’s principles মেনে জাস্টিস রাধাকৃষ্ণনের বেঞ্চ যুক্তি দিয়েছিল যে, ব্যক্তির লিঙ্গপরিচয় বা মনস্তাত্ত্বিক লিঙ্গ শুধুমাত্র কিছু শল্যচিকিৎসাগত পদ্ধতির দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে না (যা সেক্স রিঅ্যাসাইনমেন্ট সার্জারি বা SRS নামে পরিচিত এবং যা অল্প কিছু সংখ্যক ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিই নির্বাচন করেন বা করবার মতো আর্থিক ক্ষমতা রাখেন)। ফলে, সর্ব্বোচ্চ আদালত ব্যক্তির লিঙ্গপরিচয় নিরূপনের জন্য SRS এর উপর জোর দেওয়া বা যৌনাঙ্গের প্রকৃতি পরীক্ষা করাকে বেআইনি এবং অনৈতিক বলে ঘোষণা করে।

তবে এই রায়টি সম্প্রতি বিশেষ বিপদের সম্মুখীন। কারণ, বর্তমান ভারত সরকার নালসা রায়ের নির্দেশনামাকে লঘু করে তোলবার জন্য এমন একটি বিল প্রস্তাব করেছে যার বিরুদ্ধে বহু রূপান্তরকামী এবং লিঙ্গ/যৌনতা অধিকার নিয়ে কর্মরত সমাজকর্মীরা সোচ্চার হয়েছেন এবং লড়াইয়ের প্রয়োজন বোধ করছেন।

সুপ্রিম কোর্টের নালসা রায় প্রদানের দু’ বছরের কিছু বেশি পরে ভারত সরকারের মিনিস্ট্রি অফ সোশাল জাস্টিস অ্যান্ড এমপাওয়ারমেন্ট (MSJE) ‘ট্রান্সজেন্ডার পারসনস প্রোটেকশন অফ রাইটস বিল, ২০১৬’ নামে একটি বিলের খসড়া তৈরী করে। এটি লোকসভার লোয়ার হাউজে প্রস্তাবিতও হয়। বিলটি বিভিন্ন কারণে বিতর্কিত, যাদের মধ্যে অন্যতম কারণ হল, কাকে ‘রূপান্তরকামী’ বলা যাবে সে বিষয়ে বিভ্রান্তিকর এবং অযথার্থ সংজ্ঞায়ণ । সর্বোপরি, MSJE কোনো ব্যক্তি ট্রান্সজেন্ডার না ট্রান্সজেন্ডার নয় তা সুনিশ্চিত করার জন্য একটি জেলাভিত্তিক ‘ডিস্ট্রিক্ট স্ক্রিনিং কমিটি’ গঠন করার প্রস্তাব রাখে। এই প্রস্তাবিত স্ক্রিনিং কমিটিতে সরকারী আধিকারিক এবং মনোবিদ (সাইকিয়াট্রিস্ট) ছাড়াও ডাক্তাররা থাকবেন এবং সেখানে স্ক্রিনিং কমিটির দ্বারা ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে স্বীকৃত হওয়ার জন্য ব্যক্তিবর্গকে যৌনাঙ্গ-পরীক্ষনের মধ্যে দিয়েও যেতে হতে পারে, যা লিঙ্গ স্বনির্ধারণের নিরিখে গভীরভাবে আপত্তিকর । বলাই বাহুল্য, এই ধরনের ডিস্ট্রিক্ট স্ক্রিনিং কমিটির নির্মাণ সুপ্রিম কোর্টের নালসা রায়ের ব্যক্তির লিঙ্গের স্ব-নির্ণয় নীতির প্রবলভাবে বিরোধী ।

যদিও উক্ত মন্ত্রকের দ্বারা বিলটি লোকসভার থেকে প্রত্যাহৃত হয়েছে, তবুও পার্লামেন্টারি স্ট্যান্ডিং কমিটি MSJE-র অধীনে যে রিপোর্ট জমা দিয়েছে, তাতে ডাক্তারি চেক আপের দ্বারা (জেনিটালিয়া চেক) লিঙ্গান্তরকামী পরিচয় নির্ধারণের বিষয়টা থেকেই গেছে। সুতরাং, MSJE-র দ্বারা উক্ত অনুচ্ছেদটিকে বাদ না দিয়ে বিলটিকে পুনঃপ্রস্তাব করার এবং লোকসভার আগামি সেশনগুলিতে পাস করিয়ে নেবার সম্ভাবনা অতি প্রবল।

প্রান্তিক লিঙ্গ ও যৌনসংখ্যালঘু গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত অধিকাংশ মানুষের দ্বারা অবস্থাটা যতটা খারাপ বলে মনে করা হচ্ছে, তার থেকে কিন্তু পরিস্থিতি ঢের বেশি ভয়ানক। সংবিধানের ১৪১ এবং ১৪২ ধারা অনুযায়ী নালসা রায় এখনো অলঙ্ঘনীয় (যার মধ্যে সারা দেশের সমস্ত কোর্টগুলিও পড়ে) । কারণ, কোনো নির্দিষ্ট আইনের অনুপস্থিতিতে (এক্ষেত্রে লিঙ্গান্তরকামীতা বিষয়ক আইন) সুপ্রিম কোর্টের বিচারকবর্গের দ্বারা প্রদত্ত নির্দেশিকাই আইন হিসেবে পরিলক্ষিত হয় – যতক্ষণ না পর্যন্ত লোকসভা নিজে একটি আইন তৈরি করছে । অর্থাৎ, এই রায় আমাদের জন্য আছে যতক্ষণ না পার্লামেন্ট নিজে আইন তৈরি করছে, অর্থাৎ ততক্ষন পর্যন্ত যতক্ষণ না এই প্রবলভাবে আপত্তিকর “ট্রান্সজেন্ডার পারসনস প্রোটেকশন অফ রাইটস বিল”-টিকে পার্লামেন্টের দুটি সভাতেই পাস করিয়ে আনা হচ্ছে। যেদিন থেকে পার্লামেন্ট নালসা রায়ের উপর ভিত্তি করে একটি আইন নির্মানে সক্ষম হবে, সেদিন থেকেই উক্ত রায়টি তামাদি হয়ে যাবে এবং রূপান্তরকামী এবং অন্যান্য প্রান্তিক লিঙ্গের ব্যক্তিবর্গের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার জন্য আর তার সাহায্য নেওয়া যাবে না। এক কথায় বলতে গেলে, একবার যদি সরকার বিলটিকে লোকসভায় পাস করাতে সক্ষম হয়ে যায়, নালসা রায়ের যাবতীয় প্রগতিশীল নির্দেশিকাসমূহ ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে। সেজন্য এই বিলটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

UNHRC-তে মৃত্যুদন্ড রদের বিরুদ্ধে ভারতের অবস্থানঃ

এই বছরের ২৯শে সেপ্টেম্বর ১২টি অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভারতবর্ষও ইউনাইটেড নেশনসের হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলে উত্থাপিত এমন একটি প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দান করে যেটির উদ্দেশ্য ছিল মৃত্যুদন্ডকে বিরলের মধ্যে বিরলতম কেসগুলিতেই সীমাবদ্ধ করা এবং এর প্রয়োগ যাতে বৈষম্যমূলক না হয়, তা সুনিশ্চিত করা। প্রস্তাবটির অপর লক্ষ ছিল সেই সব লুকিয়ে থাকা কারণগুলিকে (যার মধ্যে জাতিগত এবং এথনিক পক্ষপাতিত্বও পড়ে) খুঁজে বের করা, যেগুলি মৃত্যুদন্ড প্রদানের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে কাজ করে থাকে।

বছরের পর বছর ধরে ভারত (সাধারণত) ইউনাইটেড নেশনসের জেনারেল অ্যাসেম্বলি বা হিউম্যান রাইটস কাউনসিলে উত্থাপিত মৃত্যুদন্ড রদ বিষয়ক ভোটাভুটিতে বিরুদ্ধেই ভোট দিয়ে এসেছে। সরকার বদলের সাথে কিন্তু এই অবস্থার খুব বেশি পরিবর্তন ঘটেনি। এই ভাবে আন্তর্যাতিক মঞ্চে ভারত তার নিজের পরিচয় তৈরি করে নিচ্ছে মানবাধিকার-সম্মত নীতির বিকাশের ক্ষেত্রে ঐচ্ছিক বাধাদানকারী হিসেবে। পৃথিবীর সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের পক্ষে যা একেবারেই উপযুক্ত নয়। একই সঙ্গে বলতে হয়, ভারতের এই অবস্থান দেশের সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তসমূহেরও ঠিক বিপরীতে, যা বরাবর মৃত্যুদন্ডের প্রয়োগের ব্যাপারে যথাসম্ভব রাশ টানবার চেষ্টা করে এসেছে।

যাই হোক, এই বছরের এই প্রস্তাবটি কিন্তু পূর্বতন প্রস্তাবগুলির থেকে বেশ কিছুটা আলাদা ছিল। কারণ, এই প্রথমবারের জন্য প্রস্তাবটিতে আলোচিত হয়েছে জাতিগত এবং এথনিক মাইনরিটি সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য সামঞ্জস্যবিহীনভাবে অধিক শাস্তিদানের বিষয়টা, এবং নিন্দিত হয়েছে ধর্মনিন্দা (ব্লাসফেমি), ধর্মপরিবর্তন (অ্যাপোস্ট্যাসি) এবং সম্মতিক্রমে ঘটা সমলৈঙ্গিক সম্পর্কের কারনে মৃত্যুদন্ডদানের বিষয়টা। দেখা গেছে, এমনকি এখানেও ভারতের ভোট সেই ‘না’ই থেকে গেছে।

যেহেতু ভারতীয় সংবিধানের অবস্থান এই যে, মৃত্যুদন্ড শুধুমাত্র বিরলতম ঘটনাগুলির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে, তাই এ ব্যপারে মৃত্যুদন্ড ভারতেও যে চালু হবে, সেই অলীক সম্ভাবনা শুরুতেই খারিজ হয়ে যাচ্ছে। এই রকম কোনোও আইন প্রণয়নের চেষ্টা হলে সর্বপ্রথম তা ধাক্কা খাবে ভারতীয় সংবিধানে। তবে, ভারত কিন্তু এরকম ৭৭টি রাষ্ট্রের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত যেগুলিতে ভিন্ন আইডেনটিটি বা লিঙ্গ এবং যৌন সংখ্যালঘুদের ব্যক্তিগত জীবনের কার্যকলাপকে অপরাধ হিসেবে তকমা দেবার মতো আইন আছে। এই সাতাত্তরটির মধ্যে ১১টি দেশ আবার কুইয়ার ব্যক্তিবর্গের জন্য মৃত্যুদন্ড বরাদ্দ করে রেখেছে। এ ছাড়া, ধর্মীয় মৌলবাদী শাসককূল, যারা ইরাক এবং সিরিয়ার কিয়দংশে আতঙ্কের সাম্রাজ্য পত্তন করেছে, নিয়মিতভাবে সমকামী-উভকামী-লিঙ্গান্তরকামীদের এই কারণে হত্যা করে থাকে। UNHRC-র প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে এটা পরিষ্কার করে দিয়েছে যে, এই দেশ এমন সব জঘন্য অপরাধকেও সমর্থন করে যাতে ‘ভালবাসার অধিকার’ (Right to Love), যা কিনা ‘জীবনের অধিকার’-এর (Right to Life) অংশবিশেষ, চূড়ান্তভাবে লঙ্ঘিত হয়। সুতরাং, ভারত সরকারকে অবশ্যই জবাব দিতে হবে সম্মতিক্রমে ঘটা সমলৈঙ্গিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে মৃত্যুদন্ডকে তা কি কারণে সমর্থন জানায়, এই প্রশ্নের। এ কি ধর্মীয় মৌলবাদের যে পথ ভারত সরকার ২০১৪ সালের সাধারন নির্বাচনের পর থেকে নিয়েছে, তার ফল? সরকারের গোপন ইচ্ছা কি আদপে সমস্ত কুইয়্যার ব্যক্তিবর্গকে হত্যা করাই? যেহেতু দেশের সংবিধান এটা করতে তাদের অনুমতি দেয় না, তাই কি তারা সমর্থন করছে অন্য দেশে ঘটা এই ধরনের হত্যাকে?

গত বছরও ভারত কোনো অবস্থান নিতে চায়নি অপর একটি UNHRC-র প্রস্তাবে, যেটা সমস্ত সদস্য রাষ্ট্রগুলিতে ভিন্ন লিঙ্গ এবং যৌনতার ব্যক্তিবর্গকে হিংসা এবং বৈষম্যমূলক আচরণের থেকে সুরক্ষা সুনিশ্চিত করবার প্রচেষ্টা চালায়। প্রথমে ভিন্ন লিঙ্গ এবং যৌনতার ব্যক্তিবর্গের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অস্বীকার করা, এবং বর্তমানে গোপনে তাদের হত্যাকে সমর্থন জানানো – এই দুটি অবস্থানই গভীরভাবে সমস্যাজনক এবং আমাদের সংবিধানের তুলে ধরা নৈতিকতাকে কার্যত বিদ্রুপ করে। সরকার মনে হচ্ছে না এ ব্যাপারে বিশেষ গা করে বলে, যা অবশ্যই প্রতিরোধ করাটা প্রয়োজনীয়।

 স্বেচ্ছাকর্মী দরকার ট্রায়াঙ্গুলার পার্কের জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি নেয়ার জন্য
 সন্দীপ্তা একটি পার্ফর্ম্যান্স করতে চায় প্রাইড ওয়াকটি শুরু হওয়ার ঠিক আগেই, উনি এটির সকল দায়িত্ব নিয়েছেন

প্রি-প্রাইড ওয়ার্কশপ
 প্রি-প্রাইড ওয়ার্কশপের তারিখ কেআরপিএফ পরে ঘোষণা করবে

আমরা আপনাদের পরার্মশ, মন্তব্য, ও প্রতিক্রিয়া জানতে আগ্রহী উপরের উল্লেখিত বিষয়গুলি সম্বন্ধে, দয়া করে আপনার মতামত মেইলিং লিস্টে জানাবেন।

Here is a list of participants present at the 1st meeting | মিটিঙে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের তালিকা):

Abhinandan, Anamika Sarkar, Arunabha hazra, Asit Biswas, Atanu Kumar Bandyopadhyay, Avinaba Dutta, Deepanjan Datta, Dipankar Chanda, Jia, Kaustav Manna, Kaustuv Dasgupta, Kunal Chowdhury (Acted as the Chair for the meeting), Prabin, Prabir Das, Rudra, Sandeepta Das, Santanu Giri, Satyaki Chakraborty, Shampa Das, Souvik, Sukanata Banerjee, Sunay Howlader.


Kolkata Rainbow Pride Walk 2016 pictures

Finally, the wait is over… we have pictures to boast.

Keep scrolling!

Want more? Click Here!

…and a bonus video!

…and one more 😀

…yet another <3

The above pictures and video are the works of the following photographers: Niladri R. Chatterjee, Nilanjan Majumder, Kausik Gupta, Aditya Bandhyapadhya, Dipankar Chanda, Reekdeb Mal; they reserve the rights of their work and these may not be reproduced or republished without their permission. 

Kolkata Rainbow Pride 2016 on the press

fb_img_1481719295758Kolkata Rainbow Pride Walk 2016 took place on 11th December 2016 Sunday, lots of people turned up to make it a grand success, colours, cheers, slogans, performances, clicks-upon-clicks, costumes made it a carnival, probably the best this city sees annually, albeit with an important underlying spirit of liberation and hope.

Below are the links to its coverage on the media:

Apart from the above web links, KRPW 2016 was also covered in print media by newspapers such as Times of India, Ei Samay etc.

Also, you can hear Sandip Roy, the renowned author and journalist to describe the rally on KALW, the public radio station based in San Francisco, California:

This page will be occasionally updated as new links are published.